দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) ২৩.৯৮ থেকে ২৮.০৩ ডলার দরে ৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
৪ কার্গোর মধ্যে ৩টি ২০২৫ সালের সরকারি ক্রয় বিধিমালার (পিপিআর) ১০৫(৩)(ক) বিধি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় এবং অপরটি সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ব্যবস্থায় সৌদি আরবের আরামকোর ট্রেডিং শাখা থেকে কেনা হবে।
প্রস্তাবগুলো ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কাছে উপস্থাপন করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় ৪৯তম এলএনজি কার্গোটি ২৫ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরবরাহের জন্য আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৭.৫৪ ডলার দরে কেনা হবে।
৫০তম কার্গোটি ১ থেকে ২ অক্টোবরের মধ্যে সরবরাহ করবে বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড। এর দাম পড়বে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮.০৩ ডলার। আর ৫১তম কার্গোটি ৫ থেকে ৬ অক্টোবরের মধ্যে সরবরাহ করবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড। এর দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২৬.৬৬৮৮ ডলার ধরা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দর অনুযায়ী এই ৩টি কার্গো কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করে কমিটি।
এছাড়া আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ২৩.৯৮ ডলার দরে আরও এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়।
সরকার-টু-সরকার ব্যবস্থার আওতায় আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড ও পেট্রোবাংলার মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বল্পমেয়াদি এলএনজি বিক্রয় ও ক্রয় চুক্তির (এলএনজি এসপিএ) ৭.২(খ) ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত এই এলএনজি কেনা হবে।
ওই এলএনজি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর সরবরাহের কথা রয়েছে। বিদ্যমান চুক্তির আওতায় এটি ‘অতিরিক্ত পরিমাণ’ হিসেবে কেনা হবে।
দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে ঘাটতি পূরণ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বর্তমানে আমদানি করা এলএনজির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছে বাংলাদেশ।
এইচএ