এইমাত্র
  • কয়লা সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে, আদানি পাওয়ারের বিবৃতি
  • ৬ মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি নেয়ার খবর নাকচ মালয়েশিয়ার
  • আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে: দুদক মুখপাত্র
  • কওমি শিক্ষার্থীদের কারিগরি প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা সরকারের
  • র‌্যাব সদরদপ্তর হবে ১১তলা, ব্যয় ১৭২ কোটি টাকা
  • কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেফতার
  • সখীপুরে স্বাস্থ্য সহকারীর মরদেহ উদ্ধার
  • হাবিপ্রবির টিএসসিতে চেয়ার সংকট, সমাধানের আশ্বাস প্রশাসনের
  • ‘আমদানি নির্ভরতার কারণে জ্বালানি সংকট, পঙ্গু করে রেখেছিল বাপেক্সকে’
  • বাংলাদেশ ব্যাংক ও রাকাবের ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর
  • আজ বুধবার, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    দেবীগঞ্জে বিনামূল্যের বই বিতরণে ঘুষের অভিযোগ, তদন্তে নানা অসঙ্গতি

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

    দেবীগঞ্জে বিনামূল্যের বই বিতরণে ঘুষের অভিযোগ, তদন্তে নানা অসঙ্গতি

    নাজমুস সাকিব মুন, পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সরকারি বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণের সময় অর্থ আদায়ের অভিযোগের তদন্তে দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজমল হোসেনের সঙ্গে অভিযোগকারীদের সরাসরি আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত প্রতিবেদনে শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়কের মাধ্যমে টাকা নেওয়ার অভিযোগের কথা উঠে এসেছে। একই সঙ্গে বই বিতরণের দায়িত্ব, গুদামের চাবি এবং বই বিতরণের চালান নিয়েও গুরুতর অসঙ্গতির তথ্য পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

    এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর গত ৯ আগস্ট উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈম মোর্শেদকে আহ্বায়ক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রতন কুমার বর্মন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামানকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তদন্ত শেষে গত ২৪ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দেয়।

    তদন্তে অভিযোগকারী তিন কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্যে, শিক্ষা কর্মকর্তাকে সরাসরি টাকা না দিলেও তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী সরকারি বই নিতে অফিস সহায়ক মো. আব্দুল মজিদ ওরফে বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে। কয়েকজন শিক্ষক তদন্তকারীদের জানান, বই গ্রহণের জন্য বাবু তাঁদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অফিস সময়ের বাইরে বই বিতরণ করেছেন।

    তদন্ত কমিটির কাছে দেবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সোহেল শাহজাদা জানান, বই বিতরণের জন্য তাঁকে ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার সাদেককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বইয়ের গুদামের চাবি তাঁদের না দিয়ে অফিস সহায়ক আব্দুল মজিদকে দেওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হলেও কিন্ডারগার্টেনগুলোতে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে আব্দুল মজিদ বই বিতরণ করেন।

    এ ছাড়া বই বিতরণের চালান পর্যালোচনা করে তদন্ত কমিটি জানতে পারে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণের চালানে স্বাক্ষর থাকলেও বেসরকারি বিদ্যালয়ে বই বিতরণের চালানে কারও স্বাক্ষর নেই। বিষয়টিও তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন ও অফিস সহায়ক আব্দুল মজিদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আজমল হোসেনের দাবি, বিনামূল্যেই বই বিতরণ করা হয়েছে এবং তাঁকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, তদন্ত কমিটির প্রাপ্ত প্রতিবেদন আমরা জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করেছি।

    পিএম

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…