এইমাত্র
  • ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে স্নাতক পাস হতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
  • স্কুল ভর্তিতে থাকছে না লটারি: শিক্ষামন্ত্রী
  • ঈদ সামনে রেখে ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় মাংস সমিতি
  • লামার দুর্গম পাহাড়ে ‘নতুন কুঁড়ি’ স্কুলে জ্বলল শিক্ষার আলো
  • পুঠিয়া উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি নজরুল মণ্ডল
  • সিংগাইরে সাত্তার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সাংবাদিকদের ইফতার
  • মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই বিএনপির রাজনীতি: প্রধানমন্ত্রী
  • ভোট সুন্দর হলে আপত্তি উঠে পরে, এবারও তাই হয়েছে: সিইসি
  • বেনাপোলে ভিজিএফের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ
  • খাল খননের মাধ্যমে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন জিয়াউর রহমান: ভূমিমন্ত্রী
  • আজ সোমবার, ২ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৬ মার্চ, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    লামার দুর্গম পাহাড়ে ‘নতুন কুঁড়ি’ স্কুলে জ্বলল শিক্ষার আলো

    মুহাম্মদ এমরান, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
    মুহাম্মদ এমরান, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

    লামার দুর্গম পাহাড়ে ‘নতুন কুঁড়ি’ স্কুলে জ্বলল শিক্ষার আলো

    মুহাম্মদ এমরান, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

    পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ‘নতুন কুঁড়ি’ নামে একটি ব্যতিক্রমী বিদ্যালয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ছে প্রান্তিক শিশুদের মাঝে।

    ২০১৬ সালে ফ্রিল্যান্সার শাহরিয়ার এবং স্থানীয় তরুণ উথাইয়া মারমার উদ্যোগে ‘পাওমুম থারকলা’ বা ‘নতুন কুঁড়ি’ নামে বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয়। বাঁশ ও গাছ দিয়ে নির্মিত দুইতলা পরিবেশবান্ধব এই বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭৮ জন পাহাড়ি শিশু পড়াশোনা করছে।

    দুর্গম এ জনপদে আধুনিক জীবনযাত্রার সুবিধা সীমিত। অনেক এলাকায় নেই মোবাইল নেটওয়ার্ক কিংবা কাছাকাছি হাসপাতাল। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবু স্থানীয় অভিভাবকেরা নিজেদের সন্তানদের পড়াশোনার সুযোগ করে দিতে নানা ত্যাগ স্বীকার করছেন। কেউ কেউ নগদ টাকার পরিবর্তে নিজেদের উৎপাদিত চাল, ডাল বা সবজি দিয়েও বিদ্যালয়ের খরচে সহায়তা করছেন।

    সম্প্রতি সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যালয়টিতে প্রথমবারের মতো বৈদ্যুতিক বাতি ও ফ্যান চালু হয়েছে। আগে যেখানে শিক্ষার্থীরা ল্যাম্পের আলোয় পড়াশোনা করত, এখন সেখানে বিদ্যুতের আলোয় পড়ার সুযোগ পেয়েছে তারা।

    পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ট্রেন ওয়াইম ব্রো ও চতুর্থ শ্রেণির তুংলেং ব্রো জানায়, আগে এমন আলোয় পড়াশোনার সুযোগ তাদের ছিল না। এখন তারা নতুন পরিবেশে পড়াশোনা করতে পেরে আনন্দিত।

    বিদ্যালয়ের উদ্যোক্তারা জানান, ভবিষ্যতে এখানে অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইসিটি সরঞ্জাম ও ইন্টারনেট সংযোগ (স্টারলিংক) নিশ্চিত করা গেলে দুর্গম পাহাড়ে বসেই শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষার সুযোগ পাবে।

    স্বেচ্ছাশ্রম ও মানবিক উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই বিদ্যালয়টি এখন পাহাড়ি অঞ্চলের শিশুদের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    ইখা

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    Loading…