করোনা মহামারি, বন্যায়, যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিজের জীবনের কথা চিন্তা না করে এগিয়ে গিয়েছেন মানবিক কাজে, আজ সেই স্বেচ্ছাসেবক সজিব সাহায্যের জন্য অঝোরে কাঁদছেন। ভানবাসিদের ঘরে পৌছে দিতেন খাবার, এমনকি কেউ বিপদে পড়লে হাজার টাকার ফান্ডিং করে দাড়াতেন পাশে।
গর্ভধারিনি মায়ের মরণব্যাধি কোলন ক্যান্সার হওয়ায় নিজের অর্জিত অর্থ শেষ করে অন্যের কাছ থেকে ধার দেনা নিয়ে সুস্থ করে তুলতে গিয়ে আজ নিঃস্ব জীবন পার করছেন সজিব। চিকিৎসায় ব্যায় হয় আনুমানিক ৮-১০ লাখ টাকা।
সজিব সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, মায়ের কোলন ক্যান্সার হওয়ার পর আমি পাগলের মতন হয়ে যাই। দিক বদিক ঘুরে টাকা জোগাড় করে জরুরি চিকিৎসা করাই। আমার অর্জিত অর্থ দিয়ে কিছুই হয়না চিকিৎসার। পরে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধার দেনা নিয়ে মায়ের চিকিৎসা করাতে থাকি। এতে ৮-১০ লাখ টাকা ব্যায় হয়। আমি সকলের পাশে দাড়াতাম, আজ নিজেই নিঃস্ব হয়ে গেছি।
তিনি আরও বলেন, অসহায়দের পাশে দাড়ালেও আজ আমার পাশে দেশের ভাইরাল মানবিকরা নাই। আমায় আপনারা সাহায্য করুন সহযোগীতা পাঠানো যাবে:
বিকাশ, নগদ, রকেট:- 01922465886 (ছেলে)
ডাচ বাংলা ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নং- 2921580041298, নাম: Md. Sajeebur Rahman শাখা: খিলগাঁও, ঢাকা-1219।
পূবালী ব্যাংকে ACC No- 3555101206732, নাম: Md. Sajeebur Rahman, মেইন ব্রাঞ্চ, মতিঝিল, ঢাকা।
সোনালী ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নং-1622001007093, মিছেস নাছিমা বেগম , ব্রাঞ্চ কোড-16220, শাখা: সায়েদাবাদ ।
ছেলের এমন অবস্থা দেখে সুস্থ হয়েও যেন শান্তিতে ঘুম ঘুমাতে পারছে না তার মা। কিভাবে কি করবেন নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন মা। তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হওয়ার পর মেয়ের মতন আগলে রেখেছে আমায়। রান্না করা, গোসল করা সহ সব কাজ ও একাই করেছে। কিভাবে টাকা জোগাড় করেছে জানতাম না। এখন মোটামুটি সুস্থ হয়েও যেন আমি অসুস্থ ছেলের চিন্তায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ সমাজের বিত্তবানরা যদি আমায় সহযোগিতা করে তাহলে হয়ত ছেলে আমার স্বাভাবিক হবে।
বিএনপির সক্রিয় কর্মী হওয়ায় বহু নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে সজিবের বাবাকে। তবে, ক্রান্তিলগ্নে দলের সহযোগিতা চান সজিবের পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হতে বহুদিন ঘুরলেও মেলেনি সুযোগ।
সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে ঘুরে দাড়াতে পারে স্বেচ্ছাসেবক সজিবের জীবন। সজিবও ফিরতে চান আগের মতো মানবিক কার্যক্রমে।
এসআর/হোসাইন সিপাহী