রাজধানীতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ৮টায়। এই জামাতে প্রধানমন্ত্রী নামাজ আদায় করবেন। ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানবিচারপতিসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এ ময়দানে নামাজ আদায় করবেন।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ১০টায় জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে এ বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আসন্ন ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে বা অতি বৃষ্টির কারণে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ সম্ভব না হলে বিকল্প হিসেবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতের এই প্রস্তুতি নেওয়া। নগরবাসীর নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আরো জানিয়েছে, ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি চলছে।
আব্দুস সালাম জানান, বৃষ্টি হলেও যাতে নামাজে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্যান্ডেলে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েক স্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন। এছাড়া জনসমাগম ও শৃঙ্খলার স্বার্থে জাতীয় ঈদগাহ সংলগ্ন রাস্তায় ট্রাফিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
ভিআইপি ব্লকে পুরুষ ২৫০ জন ও নারী ৮০ জনের নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে-এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এখানে ৩৫ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান।
প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, অজু, পয়োনিষ্কাশন ও সুপেয় পানির সুব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকবে। এছাড়াও আলাদা প্রবেশ ও প্রস্থান গেট এবং নারী মুসল্লিদের জন্য আলাদা ব্লকে নামাজের ব্যবস্থা ও পৃথক প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এইচএ