পিলখানার বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া) আকতার হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বনানী থেকে গ্রেপ্তারের পর হাফিজকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি ডিবি হেফাজতে রয়েছেন।
খন্দকার আব্দুল হাফিজ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের বানিয়ারা গ্রামের প্রয়াত খন্দকার আবুল হাকাম মিয়ার ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও মির্জাপুর উপজেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমানের হাতে ফুল দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলটিতে যোগ দেন হাফিজসহ সামরিক বাহিনীর সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তা। তিনি দলটির শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য ছিলেন। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু সেনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
এদিকে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছররা গুলিতে দুই চোখ হারানো মির্জাপুরের গোড়াই লালবাড়ি গ্রামের হিমেলের ঘটনায় দায়ের করা মামলারও এজাহারভুক্ত আসামি হাফিজ। হিমেলের মা নাছিমা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই মামলায় হাফিজকে দুই নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পিএম