এইমাত্র
  • মাত্র ১৪ দিনেই দেশে এলো ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
  • ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়, প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ
  • প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছেন
  • যুদ্ধ আরো তিন সপ্তাহ চালানোর পরিকল্পনা ইসরায়েলের
  • আমিরাতে ড্রোনের আঘাতে ভবনে আগুন
  • বুধবার সন্ধ্যায় ঈদের চাঁদ অনুসন্ধানের আহ্বান সৌদি আরবের
  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কঠোর বার্তা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও জার্মান চ্যান্সেলর
  • এবার নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওকে ‘ডিপফেক’ বলছে গ্রোক
  • জাল যার জলা তার, মাছ ধরতে আর ইজারা নয়: প্রতিমন্ত্রী নূর
  • ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে স্নাতক পাস হতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
  • আজ সোমবার, ২ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৬ মার্চ, ২০২৬
    শিক্ষাঙ্গন

    এসপি-প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে দ্বারস্থ শিক্ষিকা হত্যার বাদীপক্ষ, যা জানাল পুলিশ

    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম
    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

    এসপি-প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে দ্বারস্থ শিক্ষিকা হত্যার বাদীপক্ষ, যা জানাল পুলিশ

    রবিউল আলম, ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে দ্রুত রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার। তাঁদের দাবি—এই হত্যাকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভের বিষয় নয়, এর পেছনে গভীর পরিকল্পনা ও আরও অনেকের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তদন্তে বিলম্ব হওয়ায় মামলাটি নিয়ে ধোঁয়াশা বাড়ছে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

    বিচারের দাবিতে এবং পুলিশ প্রশাসনকে তাগাদা দিতে বর্তমানে বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যালয়ে দ্বারস্থ হচ্ছেন নিহতের পরিবার। নিহতের স্বামী ও মামলার বাদী ইমতিয়াজ সুলতান বলেন, “এটি একটি প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড, অথচ বিচার পাওয়ার জন্য আমাদের এখনো দ্বারে দ্বারে দৌঁড়াতে হচ্ছে। গত ৫ মার্চ মামলা দিলেও গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখছি না। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফজলু এখন অনেকটাই সুস্থ। তাকে দ্রুত রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে নেপথ্যের কুশীলবদের তথ্য বের করতে হবে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভাগের কিছু ব্যক্তির আচরণ নিয়ে তাঁর স্ত্রী প্রায়ই ফোনে উদ্বেগের কথা জানাতেন। তাই এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

    মামলার অগ্রগতি বিষয়ে থানা সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। দেশের সকল ইমিগ্রেশন পয়েন্টে নোটিশ পাঠানোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতেও বার্তা পাঠানো হয়েছে। যেকোনো সময় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে এবং আদালতে তোলার মাধ্যমে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    প্রধান আসামির রিমান্ডের বিষয়ে পুলিশ জানায়, “আসামি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। মেডিকেল ছাড়পত্র পেলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারব। অসুস্থ অবস্থায় রিমান্ডে নেওয়ার আইনগত এখতিয়ার আমাদের নেই, কারণ এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে।”

    জানা গেছে, মামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে বাদীপক্ষ কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়সহ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত যোগাযোগ করেছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতির কক্ষে সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের স্বামী।

    হত্যাকাণ্ডের পর গুরুতর আহত অবস্থায় ফজলুর রহমানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং মামলায় নাম আসায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও অভিযুক্ত শিক্ষক ও কর্মকর্তা এখনো পলাতক রয়েছেন।

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…