মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নে খাস জমিতে বালু ভরাটের অভিযোগে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ। বালু ভরাট বন্ধ।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের মেঘনার শাখা কাজলী নদীর তীরবর্তী নিবিরচর ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ডাঃ হামিদা মোস্তফা।
জানা যায়, হোসেন্দী ইউনিয়নের মেঘনার শাখা কাজলী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ব্যাক্তি মালিকানা জমি ও সরকারি খাস জমি রয়েছে। ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন মোল্লা নিবিরচর এলাকায় তার নিজের জমিতে বালু ভরাট করছিল পাশাপাশি খাস জমিতে দখলের অভিযোগে ঘটনা স্থলে যায় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি।
এবিষয়ে ইউপি সদস্য মহিউদ্দিন মোল্লা মোঠ ফোনে জানান, প্রায় দুই বছর পূর্বে উপজেলা ভূমি অফিস আমার সিমানা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আমার সেই জমিতে বালু ভরাট করছি। গেল বছর শাখা নদীটি খনন কালে বালি মাটিতে সিমানা বুঝা যাচ্ছে না। সকলের কাছে এলোমেল মনে হচ্ছে। এসিল্যন্ড মহোদয় এসেছেন, নকশা কাগজপত্র দেখবেন বলে তিনি বালু ভরাট বন্ধ রাখাতে বলেছেন। আমরা বালু ভরাট বন্ধ রেখেছি।
সরজমিনে পরিদর্শন শেষে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ডাঃ হামিদা মোস্তফা বলেন, সরকারি খাস জমিতে বালু ভরাটের অভিযোগে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এখানে এসে দেখা যায় ড্রেজার রয়েছে কিন্তু ড্রেজারের সাথে বালু আনলোড করার পাইব বিচ্ছিন্ন রয়েছে। যেই জমিটি ভরাট করা হচ্ছে সেই স্থানে খাস জমি রয়েছে। এটা ডিমার্গেসান করতে হবে। তাই আপাতত বালু ভরাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরকারি জায়গা নির্ধারণ করা হলে তার পর ব্যাক্তি মালিকানা জমি যদি কারো থাকে সেখানে ভুমির আকার পরিবর্তনের অনুমতি সাপেক্ষ বালু ভরাট করতে পারবে।
এনআই