এইমাত্র
  • রাজশাহীর দুর্গাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে জখম
  • শিক্ষকরা নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছাড়তে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
  • অর্থনৈতিক করিডরের উপকার ৩ দেশই পাবে: চীনা রাষ্ট্রদূত
  • বাংলাদেশের অভ‍্যন্তরীণ ইস্যুতে চীন কারো হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না: রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন
  • আনুষ্ঠানিকভাবে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • হজের প্রাক-নিবন্ধনে দিতে হবে যেসব তথ্য
  • শরীরে বাদুড় বসার পর জলাতঙ্কে ১১ বছরের শিশুর মৃত্যু
  • প্রাথমিকে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই: আপিল বিভাগ
  • ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়লো ২ হাজার ২১৬ টাকা
  • অভিন্ন প্রশ্নপত্র ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চলছে এইচএসসি পরীক্ষা
  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৮ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২ জুলাই, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    সিংগাইরে তীব্র লোডশেডিং সঙ্গে দ্বিগুন বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহক

    উপজেলা করেসপন্ডেন্ট প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
    উপজেলা করেসপন্ডেন্ট প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

    সিংগাইরে তীব্র লোডশেডিং সঙ্গে দ্বিগুন বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহক

    উপজেলা করেসপন্ডেন্ট প্রকাশ: ২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

    একদিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং, অন্যদিকে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল। এই দ্বৈত সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। তাদের অভিযোগ, মে মাসের তুলনায় জুন মাসে অনেকের বিদ্যুৎ বিল প্রায় দ্বিগুণ এসেছে। এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি সিংগাইর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসে অভিযোগের ঢল নেমেছে।

    জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার গ্রাহক রয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪৬ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছে মাত্র ২৫ মেগাওয়াট। অনেক সময় এর চেয়েও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ায় নিয়মিত লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। বকেয়া বিলের কারণে ৭ থেকে ১০ হাজার গ্রাহকের সংযোগও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    গ্রাহকদের অভিযোগ, দিনে-রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। এমন পরিস্থিতিতে জুন মাসে অস্বাভাবিক হারে বিল এসেছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ায় তারা সাশ্রয়ীভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। তারপরও অনেকের বিল প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সামনে এসএসসি পরীক্ষা থাকায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগও বেড়েছে।

    ধল্লা গ্রামের অটোরিকশাচালক মহিদুর রহমান বলেন, গত মাসে আমার বিল ছিল ৯০০ টাকা, এবার এসেছে ১ হাজার ৭০০ টাকা।

    মেদুলিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার বিল ৪ হাজার টাকা থেকে বেড়ে সাড়ে ৮ হাজার টাকা হয়েছে। একই গ্রামের তার বড় ভাইয়ের বিল ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৫৫৬ টাকা।

    সিংগাইর পৌর সদরের বাসিন্দা ও স্থানীয় সাংবাদিক রকিবুল হাসান বিশ্বাস বলেন, মে মাসে আমার বিল ছিল ৮৪৭ টাকা। জুন মাসে এসেছে ১ হাজার ৪৫০ টাকা।

    সম্ভাব্য পৌর মেয়র প্রার্থী রিপন আক্তার ফজলু বলেন, আমার ভবনের অধিকাংশ ভাড়াটিয়া দিনের বেলায় বাসায় থাকেন না। তারপরও প্রায় সবার বিল বেড়েছে। আমার নিজের বিলও ৩ হাজার ৬০০ টাকা থেকে বেড়ে ৮ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। বিষয়টি জোনাল অফিসের ডিজিএমকে জানিয়েছি।

    অভিযোগের বিষয়ে সিংগাইর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, ঈদুল আজহার টানা ছুটির কারণে মে মাসে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিল প্রস্তুত করা হয়েছিল। ফলে সে মাসে কম ইউনিটের বিল হয়েছে। বাকি ইউনিট জুন মাসের বিলে যুক্ত হওয়ায় অনেকের বিল বেশি এসেছে। এছাড়া সরকার নির্ধারিত নতুন ট্যারিফেরও প্রভাব রয়েছে। কোথাও মিটার রিডিংয়ে ভুল হলে অভিযোগের ভিত্তিতে তা যাচাই করে সংশোধন করা হবে।

    লোডশেডিং ও বাড়তি বিদ্যুৎ বিলে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিলের অসঙ্গতি তদন্ত এবং প্রকৃত ইউনিট অনুযায়ী বিল নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন।

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…